আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজ

শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

অধ্যক্ষের বানী

 

দ্রত পরিবর্তনশীল বিশ্ব পরিস্থিতিতে বাস্তবসম্মত ও ফলপ্রসূ শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও কোর্স প্লান একটি আধুনিক ধারণা। আধুনিক শিক্ষার মৌলিক লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতার উন্নতি সাধন, জাতীয় জীবনে মূল্যবোধের প্রতিষ্ঠা, মানবিক আচরণের কল্যাণমুখী ও কাঙ্খিত পরিবর্তন, যুগোপযোগী প্রযুক্তিবিদ্যা ও কর্মমূখী শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ, নৈতিক চরিত্র গঠন এবং সময়ের সুপরিকল্পিত ব্যবহার, সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের দেশাতœাবোধে উজ্জীবিত করা। একবিংশ শতাব্দীর প্রতিযোগিতামূলক ও সম্ভাবনাময় বিশ^ চাহিদার প্রেক্ষাপটে কার্যকর শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে একাডেমিক ক্ষেত্রে কোর্স প্লান অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে থাকে। বর্তমান বিশে^র যে সব দেশ শিক্ষায় উন্নতির চরম শিখরে অবস্থান করছে, সেসব দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কোর্স প্লান একটি কার্যকর পদক্ষেপ। অফুরন্ত সম্ভাবনাময় তরুন শিক্ষার্থীদের সৎ ও দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার মানসে প্রতিটি মূহুর্তকে যথাযথভাবে ব্যবহারের সর্বাত্বক চেষ্টায় শিক্ষাবর্ষের প্রথন দিন থেকেই একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও কোর্স প্লান অনুযায়ী প্রতিটি কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ। সর্বোপরি একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও কোর্স প্লান শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণের নিকট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একটি লিখিত প্রতিশ্রæতিও বটে। অবিভক্ত ভারতের শিক্ষা বিস্তারের দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন সরকারের মূখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক। তিনি অনুধাবন করেছিলেন শিক্ষা ছাড়া সমৃদ্ধ ও উন্নত জাতি গঠন সম্ভব নয়। বাংলার বিভিন্ন প্রান্তরে ঘুরে বেড়িয়েছেন এবং শিক্ষা বিস্তারের মহান দায়িত্ব গ্রহণ করে বিভিন্ন অঞ্চলে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়েছেন। তারই ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ইদ্রিশ আহমদ মিয়ার প্রত্যক্ষ তত্তাবধানে প্রতিষ্ঠিত হয় দাদনচক হাইস্কুল এবং আজকের এই স্বানমধন্য প্রতিষ্ঠান আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজ। প্রতিষ্ঠার শুরুতেই কলেজটি প্রথম শ্রেণির মর্যাদা লাভ করে এবং আত্ম মর্যাদা সম্পন্ন কলেজ হিসাবে আতœপ্রকাশ করে। ষাট সত্তর এর দশকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহকুমায় শিক্ষিতের হার বেশি বলে তথ্য প্রকাশ করা হয়। আর এই মহকুমায় শিক্ষিতের হার বেশি ছিল শিবগঞ্জ থানায়। শিবগঞ্জ থানায় শিক্ষার হার অধিক এর মূলে ছিল ১৯৩৮ সনের প্রতিষ্ঠিত আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজ। এই কলেজের বলয়ে পাশর্^বর্তী, প্রত্যন্ত অঞ্চলে ও বহুদূরের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষিত ব্যক্তি যারা শিক্ষা গ্রহণ করে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আসীন থেকে দেশমাতৃকার সেবাদান করেছেন এবং করছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। সময়ের পরিক্রমায় ১৯৮৬ সালে কলেজটি জাতীয়করণ করা হলে এর অবয়ব বৃদ্ধি পায়। কলেজটিতে ১৪টি বিষয়ে এবং ৬টি বিষয়ে স্নাতক সম্মান কোর্স চালু আছে। বাকী বিষয় গুলিতে সম্মান কোর্স চালু প্রক্রিয়াধীন। উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে পাঠদানের জন্য রয়েছে সুদক্ষ বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাবৃন্দ। বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের শুরুতে দাদনচকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত অত্র ছায়ায় ১৩ একর জমির উপর দাড়িয়ে আছে আজকের আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজ।


৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ

স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তি

অধ্যক্ষ

প্রফেসর মোাঃ গিয়াসউদ্দিন

উপাধ্যক্ষ

প্রফেসর ড. সৈয়দ মোঃ মোজাহারুল ইসলাম
আদিনা ফজলুল হক সরকারি কলেজ পরিচিত তৎকালীন বৃটিশ ভারতের মালদাহ জেলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজ সেবক ও প্রতিষ্ঠাপক ইদ্রিশ আহমদ তাঁর নিজ গ্রাম দাদনচকে বিশ শতকের প্রথম পাদেই প্রতিষ্ঠান করেন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা। উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে তিনি তাঁর সংগ্রাম অব্যাহত রাখেন। বিশের দশকে তাঁর কর্মগুনে বৃহত্তর মালদহ, মুর্শিদাবাদ এবং রাজশাহী জেলায় তিনি সুপরিচিত হয়ে ওঠেন। 

বাণী চিরন্তণী

আমলা নয় মানুষ সৃষ্টি করুন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

জাতীয় সংগীত

Academic Calendar

অবস্থান